প্রচ্ছদ > আন্তর্জাতিক >

অপারেশন ঈগল ক্ল’র ব্যর্থতা টেনে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করল ইরান

article-img

১৯৮০ সালে অপারেশন ঈগল ক্ল এর ব্যর্থতার প্রসঙ্গ টেনে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বশক্তিগুলোকে সতর্ক করেছে ইরান। ওই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

অপারেশন ঈগল ক্ল ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যর্থ উদ্ধার অভিযান। ১৯৮০ সালের ২৪-২৫ এপ্রিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ডেল্টা ফোর্স নিয়ে তেহরানে জিম্মি হয়ে থাকা ৫২ মার্কিন কূটনীতিককে উদ্ধার করার ছক কষেন। ১৯৮৯ সালে ইরানি বিপ্লবী ছাত্ররা মার্কিন দূতাবাস দখল করে কূটনীতিকদের জিম্মি করে। তখন এই অভিযান শুরু হয়।

তবে হেলিকপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি, তাবাস মরুভূমির ঝড় এবং বিশৃঙ্খলার কারণে সেই অভিযান চরমভাবে ব্যর্থ হয়। ওই ঘটনায় ৮ জনের বেশি সামরিক কমান্ডার মারা যান। এরপর থেকেই সেই ঘটনাটিকে সামনে আনেন ইরানি নেতারা। যুক্তরাষ্ট্রও এরপর থেকে উদ্ধার অভিযানে আরও সতর্ক হয়।

গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) তাবাস মরুভূমির সেই ব্যর্থ মার্কিন সামরিক অভিযানের বার্ষিকীতে বিষয়টি সামনে আনেন পেজেশকিয়ান। ইরানি প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেন, ‘এই ঘটনা দেখিয়েছে উচ্চতর শক্তির সামনে সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা কতটা।’

ইস্পাহানে মজুদকৃত ইউরেনিয়াম  জব্দের ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ চেষ্টা সামনে টেনে তিনি বলেন, ‘এ বছর ঐশী সহায়তায় দক্ষিণ ইস্পাহানে আরেকটি তাবাসের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। তাবাসের বালুর প্রভু এখনো এই ভূখণ্ডের মানুষের রক্ষক।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন, এমন ঐতিহাসিক পরাজয় বিশ্বজুড়ে ‘অহংকারী শক্তিগুলোর’ জন্য শিক্ষা হয়ে থাকবে।

মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ডেল্টা ফোর্স ইরানে দুইবার ব্যর্থতার মুখে পড়ে—প্রথমটি ১৯৮০ সালে অপারেশন ঈগল ক্ল। দ্বিতীয়টি চলতি বছরের শুরুর সংঘাতে ইস্পাহানে। যেখানে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় বলে দাবি করা হয়েছে।


আরো খবর